লংমার্চ উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতু উত্তর থানার মাওয়া এলাকায় একটি অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। তবে লংমার্চে অংশ নেওয়া গাড়ির সংখ্যা অত্যধিক হওয়ায় প্রধান অতিথি ও বিরোধীদলীয় নেতা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মঞ্চে না উঠে নিজ গাড়ি থেকেই বক্তব্য প্রদান করেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি এই বক্তব্য শুরু করেন।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমাদের দাবিগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট। আমরা সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে নেমেছি। আমাদের মূল দাবি হলো—গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ যে রায় দিয়েছেন, তাঅবশ্যই কার্যকর করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে বাকি ছয়টি দাবিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে পূরণ হয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। সরকার যদি এই গণরায়কে শ্রদ্ধা জানায়, তবে সরকার নিজেও সম্মানিত হবে। কিন্তু জনগণের রায়কে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলে সরকারকে কেবল অপমানিতই হতে হবে না, এর জন্য চরম মাশুলও গুণতে হবে।”
তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে আরও বলেন, “মহান আল্লাহর ওপর আস্থা রেখে বলছি, ইনশাআল্লাহ জনগণের এই ন্যায্য দাবি আদায় হবেই। আর আমরা দাবি আদায় করেই তবে ঘরে ফিরব।”
সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে তিনি গাড়ি বহর নিয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে খুলনা ও কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এর আগে মাওয়া প্রান্তে অনুষ্ঠিত পথসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন মুন্সীগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আ জ ম রুহুল কুদ্দুস, জেলা নায়েবে আমির নুরুল হক পাটওয়ারী, জেলা সেক্রেটারি এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল মালেক এবং খেলাফত মজলিসের জেলা প্রতিনিধি সিদ্দিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড