নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়লেখা (মৌলভীবাজার):
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্ত শুধু একটি ভৌগোলিক রেখাই নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীক। আর এই সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন বনাঞ্চলসংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে গত তিন দিনে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (বেআইনিভাবে ঠেলে পাঠানো) চেষ্টা প্রতিহত করেছে ৫২ বিজিবি (বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন)।
খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত পদক্ষেপ, নিবিড় নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় এই পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করে বিজিবি। এমনকি, এক ভারতীয় মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হলেও বিজিবির তৎপরতায় তা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়।
৫২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সুজন জানান, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ড্রোন ক্যামেরা, গোয়েন্দা তথ্য এবং আধুনিক নজরদারির মাধ্যমে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে।
দুর্গম ভূপ্রকৃতি কিংবা প্রতিকূল পরিবেশ—কোনো বাধাই দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধক হতে পারে না। জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে ৫২ বিজিবি সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সীমান্ত সুরক্ষায় আপসহীন, দেশের নিরাপত্তায় সদা সতর্ক—৫২ বিজিবি।
প্রিন্ট করুন ফটো কার্ড